শিরোনাম
টঙ্গী প্রতিনিধি | ০৫:৪২ পিএম, ২০২২-০৮-১৮
আব্দুস সবুর খান, টঙ্গী : গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বড়বাড়ি বগারটেক এলাকায় প্রাইভেটকারের ভেতর থেকে শিক্ষক দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকা- বলে দাবি করছেন তাদের স্বজনরা। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে জেলার নিমতলী হায়দ্রাবাদ ব্রিজ এলাকায় প্রাইভেট কারের ভেতর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে গাছা থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন- শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জিয়াউর রহমান মামুন ও তা স্ত্রী আমজাদ আলী সরকার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সহকারী শিক্ষক মাহমুদা আক্তার জলি। তাদের শরীরে কোন আঘাত নেই, মোবাইলসহ তাদের ব্যবহৃত কোন কিছু খোয়া যায়নি।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা জানান, বুধবার বিকেলে স্কুল থেকে প্রধান শিক্ষক জিয়াউর রহমান তার স্ত্রীকে নিয়ে স্কুল থেকে বের হন। সন্ধ্যায় নিহতদের ছেলে মেরাজের সঙ্গে সর্বশেষ তাদের কথা হয়। এর পর থেকে তাদের মোবাইল সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। রাত গভীর হলেও ওই দম্পতি ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন থানায় ও হাসপাতালে খোঁজ নেন। পরে তাদের নিখোঁজের বিষয়টি গাছা থানায় জানানো হয়। সকালে খোঁজা খুঁজির এক পর্যায়ে গাছা থানার জয় বাংলা সড়কের বগারটেক এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়িটি দেখতে পান স্বজনরা। পরে ওই গাড়ির ভেতরে ড্রাইভিং সিটে জিয়াউর রহমান ও তার পাশে মাহমুদা আক্তার জলিকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে প্রথমে তায়রুন নেছা মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উত্তরার একটি হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে গাছা থানায় নিয়ে যায়।
নিহতের ছেলে তৌসিফুর রহমান মেরাজ জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি বাবা জিয়াউর রহমানের মোবাইল ফোনে কল দেন। তাকে ফোনে না পেয়ে মা'র মোবাইল ফোনে কল দিলে তার মা কিছু সময়ের ভেতর বাসায় আসছেন বলে জানান। কিন্তু রাত গভীর হলেও তারা ফিরে না আসায় তিনি বিষয়টি স্বজনদের জানান এবং বিভিন্ন স্থানে, থানা- হাসপাতালে খোঁজ নেন। ভোরে তিনি চাচাকে নিয়ে জয়বাংলা সড়ক দিয়ে পূবাইল থানায় খোঁজ নিতে যান। পরে বগারটেক এলাকায় তার বাবা জিয়াউর রহমানের ব্যবহৃত প্রাইভেটকার দেখতে পান। এসময় গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় বাবা মাকে পেয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। মেরাজ কান্নাজড়িত কন্ঠে বাবা-মা হত্যাকা-ের ঘটনায় দায়ীদের বিচার দাবি করেন।
নিহতদের স্বজন আব্দুর রশিদ বলেন, জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রীকে গাড়ির ভেতর থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের শরীরে কোন আঘাত নেই, মোবাইল সহ তাদের ব্যবহৃত কোন কিছু খোয়া যায়নি। তাই এ ঘটনা দস্যুতা বা ছিনতাই না, এটি পরিকল্পিতভাবে হত্যাকা-।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার মোহাম্মদ ইলতুৎমিশ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে গাছা থানায় নিয়ে আসা হয়। তাদের সুরতাহাল সম্পন্ন করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্কুল শিক্ষক দম্পতির মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি।
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার, মীরসরাই সার্কেলের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ৬০ লিটার দেশীয় তৈর...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিজস্ব প্রতিবেদক: শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়নের পরিচিত ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক সংগঠ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : স্টাফ রিপোর্টার: আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম একজন সুপরিচিত ক্রীড়া সংগঠক, ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও সমাজসেবক হি...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : শরীফুল হক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে যান চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : নিউজ ডেস্ক: বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ডিএমপি রিকশা-অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকার বিভিন্ন সড়কের প্রবেশমুখে ...বিস্তারিত
জিএসএসনিউজ ডেস্ক : : জেলা প্রতিনিধি(ঠাকুরগাঁও): শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্য...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 gssnews 24 | Developed By Muktodhara Technology Limited